ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬,
সময়: ০১:২০:৪৪ AM

সানীর নেতৃত্বে পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে সিন্ডিকেট

ষ্টাফ রিপোটার।। দৈনিক সমবাংলা
15-04-2026 01:11:32 PM
সানীর নেতৃত্বে পটুয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে সিন্ডিকেট

পটুয়াখালী আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, অফিসটির সহকারী পরিচালক এস. এম. এ. সানীর নেতৃত্বে এই সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে। এতে কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, অফিস সহকারী এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সিন্ডিকেটটি নিজেদের কার্যক্রমকে “চ্যালেন” নামে অভিহিত করেছে। এই নির্ধারিত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কেউ পাসপোর্টের আবেদন করতে চাইলে তাকে নানা ধরনের হয়রানির সম্মুখীন হতে হয়। সাধারণ আবেদনকারীরা অভিযোগ করেছেন, সিন্ডিকেটের বাইরে থেকে পাসপোর্ট করতে গেলে তাদের আবেদনপত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে ত্রুটি ধরা হয়, বারবার ফেরত দেওয়া হয় এবং অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাওয়া হয়। ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় অযথা বিলম্ব সৃষ্টি হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান না করলে পাসপোর্ট প্রাপ্তি দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে যায়। বিশেষ করে দ্রুত পাসপোর্ট পেতে হলে প্রতিটি ফাইল জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যথায় আবেদনকারীদের ফাইল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়, যা তাদের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এছাড়া সহকারী পরিচালক এস. এম. এ. সানীর বিরুদ্ধে তার আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও উঠেছে। জানা গেছে, তিনি মাসিক প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকার বেতনে চাকরি করলেও ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও এই সম্পদের সুনির্দিষ্ট বিবরণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা হয়নি, তবে বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি চলতে থাকলে জনসাধারণের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং সরকারি সেবার প্রতি আস্থা কমে যাবে।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। একই সঙ্গে পাসপোর্ট সেবা প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।

সম্পদেরহিসাব দেয়া হলো:-

এস এম এ সানী
জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর-২৩৮২৭০৪১৭৫। 
পিতা আবুল কাশেম মিয়া । 
মাতা জাবেদা খাতুন। 
স্ত্রীর নাম রোকসানা পারভীন।

ঠিকানা-৩৮/১ পশ্চিম আগারগাঁও শেরেবাংলা নগর ঢাকা। 

স্থায়ী ঠিকানা-গ্রামঃ মাদ্রা পোস্ট অফিস ঝালকাঠি,  ফিরোজপুর সদর, বরিশাল


স্ত্রী- রোকসানা পারভীন
জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার-৩২৮২৬৯৫৫৪৭
পিতা-সিকান্দার আলী হাওলাদার 
মাতা-চন্দনা বেগম 
ঠিকানা-৩৮/১ পশ্চিম আগারগাঁও শেরেবাংলা নগর ঢাকা। 

স্থায়ী ঠিকানা-গ্রামঃ মাদ্রা পোস্ট অফিস ঝালকাঠি,  ফিরোজপুর সদর, বরিশাল

 


রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকার পশ্চিম আগারগাঁওয়ে তার ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ ও নগদে লেনদেনের তথ্য
01712084443 নগত
01972084443 বিকাশ 
01989674549 বিকাশ 
01849126628 রুখসানা পারভীন বিকাশ নগত


৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট  পাওয়া গেছে,
 স্টেটমেন্ট সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সম্পদের তথ্য
জমির পরিমাণ    দাগ নং    হোল্ডিং নং    খতিয়ান    মৌজা    উপজেলা/সার্কেল    জেলা
৩.৭ শতাংশ    ৯৫৪১    ১০০/৩৭    ১০৯৬৭    কাফরুল ৬    ক্যান্টনমেন্ট     ঢাকা
১০ শতাংশ    ৪৬৬৮    ৪৩১২    ৪৩১২    রুপাতলী-৫৬    বরিশাল সদর    বরিশাল
১০.৪ শতাংশ    ৪৬৬৭    ৪৫৮৩    ৪৫৮৩    রুপাতলী-৫৬    বরিশাল সদর    বরিশাল
এছাড়াও আগারগাঁও, মোহাম্মদপুর সহ আরো তিনটি ফ্লাটের তথ্য আছে, তথ্য যাচাই চলছে...
স্ত্রীর নামে কিনেছেন ৫০ ভরি স্বর্ণ । এছাড়াও তার আত্মীয় স্বজনের নামেও সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। তার ব্যাংকেও অনেক ঢাকা আছে যার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। দিতিয় পর্বে বিস্তারিত জানানে হবে।