ঢাকা, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬,
সময়: ০২:৪৪:২৪ AM

ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়নুল আবদিন ফারুক

স্টাফ রিপোটার।। দৈনিক সমবাংলা
24-07-2026 05:41:11 PM
ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়নুল আবদিন ফারুক

জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করাই একজন জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই নিজের নির্বাচনী এলাকায় ধারাবাহিকভাবে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন জয়নুল আবদিন ফারুক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার শিক্ষা, পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়া এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ২০ তারিখ থেকে তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকাজুড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু করেছেন। এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুই ধারে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে তিনি জানান।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, গাছ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যা করা। তিনি আরও বলেন, একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেই তাঁর কার্যক্রম সীমাবদ্ধ নয়। নির্বাচনী এলাকায় অবস্থানকালে তিনি নিয়মিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশ, অবকাঠামোগত সমস্যা ও বিভিন্ন চাহিদার খোঁজখবর নেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারলেই তিনি আত্মতৃপ্তি অনুভব করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এছাড়া অসহায়, দরিদ্র ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও তাঁর নিয়মিত কর্মকাণ্ডের অংশ। এলাকার কোনো পরিবার সংকটে পড়লে তাদের পাশে দাঁড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন তিনি। আর্থিক সহায়তা, চিকিৎসা কিংবা অন্য যেকোনো প্রয়োজনে মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন মানবিক নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের প্রতিও তাঁর রয়েছে সমান আন্তরিকতা। ব্যস্ততার মাঝেও তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন। কে কেমন আছেন, কার কোনো সমস্যা রয়েছে কিংবা কার কী প্রয়োজন—এসব বিষয়ে খোঁজ নেওয়াকে তিনি নিজের রাজনৈতিক দায়িত্বের অংশ বলে মনে করেন। তাঁর এই আন্তরিকতা ও সহজ-সরল আচরণ দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, জয়নুল আবদিন ফারুক কখনো ঘরে বসে সময় কাটাতে পছন্দ করেন না। দিনের অধিকাংশ সময় তিনি বিভিন্ন গ্রাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক অনুষ্ঠান কিংবা জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন। মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখা এবং তাদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করাই তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

এলাকার উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিক্ষা বিস্তার এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে তাঁর ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি স্থানীয় জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক, সেবামূলক মানসিকতা এবং উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডের ফলেই তিনি বারবার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

জনসেবাই তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন—এমন বিশ্বাস নিয়ে জয়নুল আবদিন ফারুক আজও মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন। এলাকার উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনগণের কল্যাণে তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।